রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৩

৩ নভেম্বর রাত ৪.৩০ মিনিটে কারাগারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে।


৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর উল্লসিত পাকিস্তান ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। গোলাম আযম মুসলিম দেশগুলোর কাছে চিঠি পাঠায় বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য। ভুট্টো মোশতাক সরকারের জন্য চাল ও সাহায্য পাঠায়। সেনাপ্রধান জিয়া ও খুনিচক্রের নির্দেশে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছিল মোশতাক। যেন সবকিছুই চলছিল পাকিস্তানের নির্দেশে!

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর প্রয়োজন ছিল নেতৃত্ব শূন্য করা। দুর্নীতির অভিযোগ এনে চার নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। তাজউদ্দিন আহমেদকে ২২ আগস্ট এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে ২৩ আগস্ট গ্রেফতার করে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। চার নেতা ছাড়াও আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদসহ ২০ নেতাও গ্রেফতার হয়। সকলের উপর চলে অমানুষিক নির্যাতন।

৩ নভেম্বর রাত ৪.৩০ মিনিটে কারাগারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে।

জেনারেল জিয়া ১৯৭৬ সালের ৮ জুন বঙ্গবন্ধুর খুনি ও জেল হত্যাকারী ১২ জনকে রক্ত মাখা হাত নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে কূটনৈতিক মিশনের নিয়োগ দেন।

(Abdullah Harun Jewel)৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর উল্লসিত পাকিস্তান ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। গোলাম আযম মুসলিম দেশগুলোর কাছে চিঠি পাঠায় বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য। ভুট্টো মোশতাক সরকারের জন্য চাল ও সাহায্য পাঠায়। সেনাপ্রধান জিয়া ও খুনিচক্রের নির্দেশে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছিল মোশতাক। যেন সবকিছুই চলছিল পাকিস্তানের নির্দেশে!

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর প্রয়োজন ছিল নেতৃত্ব শূন্য করা। দুর্নীতির অভিযোগ এনে চার নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। তাজউদ্দিন আহমেদকে ২২ আগস্ট এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে ২৩ আগস্ট গ্রেফতার করে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। চার নেতা ছাড়াও আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদসহ ২০ নেতাও গ্রেফতার হয়। সকলের উপর চলে অমানুষিক নির্যাতন।

৩ নভেম্বর রাত ৪.৩০ মিনিটে কারাগারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে।

জেনারেল জিয়া ১৯৭৬ সালের ৮ জুন বঙ্গবন্ধুর খুনি ও জেল হত্যাকারী ১২ জনকে রক্ত মাখা হাত নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে কূটনৈতিক মিশনের নিয়োগ দেন।

কোন মন্তব্য নেই: