বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৩

রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েন; থমথমে দেশ; জনমনে আতংক

রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েন; থমথমে দেশ; জনমনে আতংক
২৫ অক্টোবরকে ঘিরে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে থমথমে পরিস্থিতি রাজধানীসহ সারাদেশে। জনমনে দেখা দিয়েছে আতংক। যেকোন নাশকতা ঠেকাতে, সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে আইন-শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনী। এরিমধ্যে রাজধানী, চট্টগ্রাম, রাজধানী ও বগুড়ায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গেছে, ঢাকায় ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। চট্টগ্রামে চার প্লাটুন। রাজশাহী ও বগুড়ায় দুই প্লাটুন করে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বড় শহরগুলোতে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ কোরে চলছে তল্লাশি ও গ্রেফতার অভিযান। রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে রয়েছে বিশেষ নজরদারি। প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ের ভেতরেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি’র নয়াপল্টনের কার্যালয় ঘিরে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তায়।

বগুড়ায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। আওয়ামী লীগ ও ১৮ দলীয় জোট একই জায়গায় সমাবেশ ডাকায় সহিংসতা এড়াতে আজ সন্ধ্যা ছ’টা থেকে শনিবার সকাল ছ’টা পর্যন্ত পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। এতে গোটা শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
-২৫ অক্টোবরকে ঘিরে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে থমথমে পরিস্থিতি রাজধানীসহ সারাদেশে। জনমনে দেখা দিয়েছে আতংক। যেকোন নাশকতা ঠেকাতে, সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে আইন-শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনী। এরিমধ্যে রাজধানী, চট্টগ্রাম, রাজধানী ও বগুড়ায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গেছে, ঢাকায় ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। চট্টগ্রামে চার প্লাটুন। রাজশাহী ও বগুড়ায় দুই প্লাটুন করে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বড় শহরগুলোতে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ কোরে চলছে তল্লাশি ও গ্রেফতার অভিযান। রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে রয়েছে বিশেষ নজরদারি। প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ের ভেতরেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি’র নয়াপল্টনের কার্যালয় ঘিরে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তায়।

বগুড়ায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। আওয়ামী লীগ ও ১৮ দলীয় জোট একই জায়গায় সমাবেশ ডাকায় সহিংসতা এড়াতে আজ সন্ধ্যা ছ’টা থেকে শনিবার সকাল ছ’টা পর্যন্ত পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। এতে গোটা শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

একনজরে জিয়াউর রহমান এর কু-কীর্তি সমুহঃ সংক্ষিপ্ত আকারে

>১৯৭৫-এর ২৪শে অক্টোবরে সেনাপ্রধানকে পদচ্যুত করে উপসেনাপ্রধান থেকে সেনাপ্রধান।

>বঙ্গবন্ধু হত্যার মাত্র ৪ মাস পর ৭৫’এর ৩১শে ডিসেম্বর, ৭২’এর ঘাতক দালাল আইন বাতিল করে ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি, যাদের মধ্যে ৭৫২জন দন্ডপ্রাপ্ত।

>জেল ও বঙ্গবন্ধু হত্যার সব তদন্ত বন্ধ করে দেয়া

>১৯৭৬-এর ২৯শে নভেম্বরে প্রধান সামরিক শাসক সায়েমের বিরুদ্ধে ক্যু করে নিজে প্রধান সামরিক প্রশাসক

>১৯৭৭এর ২১ শে এপ্রিলে আবার সায়েমকে সম্পূর্ণ কিকআউট করে রাষ্ট্রপ্রধান

>১৯৭৭ এ অবৈধ ঘোষিত ধর্মভিত্তিক রাজনীতির অনুমতি।

>১৯৭৭-এর ২২ এপ্রিলে ১৯৭২ এর শাসনতন্ত্রের ৩৮ অনুচ্ছেদের মূলপরিবর্তন এনে সংবিধানে সন্ত্রাস

>১৯৭৭-এর ৭ই মে তে খুনিদের ক'জনকে পদোন্নতি এবং পুনর্বহাল

>১৯৭৭-এর ‘হ্যাঁ-না’ ভোট

>১৯৭৮-এর ৫ই এপ্রিলে নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করে ১৯৭১-এর ঘাতক দালালদের নাগরিকত্ব দানের জন্য মন্ত্রনালয়কে আদেশ

>১৯৭৯-এর ৫ই এপ্রিল ৫ম সংশোধনীকে আইনে প্রণীত করে জেল ওবঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের দ্বাররুদ্ধ করতে বিষাক্ত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইন

>নতুন নাগরিকত্ব আইনের আওতায় পাকিস্তানের পাসপোর্ট হাতে রাজাকার গোলাম কে দেশে প্রবেশের অনুমতি

>আব্বাসকে ৭৯তে জামাতের আমীর হতে দিয়ে ,দেশে মৌলবাদ এবং জামাতের স্বাধীনতা বিরোধী সকল কার্যকলাপকে সাংবিধানীক বৈধতা,

>১৯৭২এরসংবিধানকে কেটে ছিরে নিজের ইচ্ছে মত সব কিছুকে জায়েজকরার নগ্ন প্রচেষ্টা।

এই সেই বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা। প্রতিষ্ঠাতার অবস্থা যদি এমন হয়-সেখান থেকে ভালো কিই বা আশা করা যায় !!!