![]() |
| মাহমুদুর রহমান মান্নাকে দেখতেযান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের |
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাকে দেখতে বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক
যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর)
দুপুরে তিনি মান্নার শারীরীক খোঁজখবর নেন। এসময় তিনি মান্নাকে ফুল দিয়ে
শুভেচ্ছা জানান এবং আলিঙ্গন করেন। পরে তাদের মধ্যে রাজনৈতিক স্মৃতিচারণ হয়।
মান্না বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল
মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক সালেকের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। কারাগারে
থাকা অবস্থায় তিনি কিডনী জটিলতা, হৃদরোগসহ শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।
বর্তমানে তিনি হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগের ২০৩ নম্বর কেবিনে ভর্তি আছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে
অবস্থানরত বিএনপির নেতা সাদেক হোসেন খোকা ও অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির সঙ্গে
মোবাইল ফোনে মান্নার কথোপকথন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। এরপর গত বছরের
২৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে বনানীর একটি বাসা থেকে গোয়েন্দা
পুলিশ পরিচয়ে একটি দল মান্নাকে তুলে নিয়ে যায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে
অভিযোগ করা হয়। ওই সময় গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে মান্নাকে আটক করার কথা
অস্বীকার করা হয়।
দিনভর তার খোঁজ পাওয়া না গেলেও পরদিন ২৪
ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১২টার দিকে গুলশান থানার পুলিশের হাতে মান্নাকে
হস্তান্তর করে র্যাব। তখন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বিদ্রোহে প্ররোচণা
দেয়ার অভিযোগে মান্নার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৩১ ধারায় গুলশান থানায় মামলা
করে পুলিশ। ২৫ ফেব্রুয়ারি ওই মামলায় আদালতে হাজির করে পুলিশ তাকে
১০ দিনের রিমান্ডে নেয়। সেই রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তার বিরুদ্ধে
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়। ২২ মাস কারাগারে আটক থাকার পর গত রবিবার জামিনে
মুক্তি পান মান্না।
