মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৩


ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের হরতাল বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের উদ্যোগে নিউমার্কেট ব্রিজ চত্বরে হরতালের নামে বিএনপি-জামাত জোটের নৈরাজ্য, বোমাবাজী, অগ্নিসংযোগ সহ সন্ত্রাসী রাজনীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ঢাকা মহানগর যুবলীগ  উত্তরের সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিলের  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়মী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ নাসিম ।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী, প্রধান বক্তা বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ। সভা পরিচালনা করেন- ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের সাধারণ সম্পাদক  মো. ইসমাইল হোসেন। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব  মোঃ নাসিম বলেন, “ দেশের মানুষ এখন আর হরতাল চায় না। হরতাল মানে মানুষ খুন, গাড়ী পোড়ানো, বোমাবাজী, স্কুল-কলেজ বন্ধ। গত কদিনের হরতালে সারা দেশে অন্তত: ২০ জন সাধারন মানুষ নিহত হয়েছে। এতগুলো মানুষ মারা গেল, দেশের অর্থনীতির ক্ষতি হলো তাতে খালেদা জিয়ার কি লাভ হলো? মানুষ হরতাল চায় না। এজন্য সাধারন মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে আর আপনি বিএনপি নেত্রী জামাতকে সঙ্গে নিয়ে হরতালের নামে মানুষ খুন করছেন। এত নৈরাজ্য সৃষ্টি করে আগামী সংসদ নির্বাচন থামাতে পারবেন না। নির্বাচন শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই হবে। বরং আপনারা ভালো প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনের মাঠে আসুন। জনগন প্রত্যাখান করার আগেই শান্তির পথে আসুন। তিনি আরও বলেন গত ৫ বছরে শেখ হাসিনা দেশের যে উন্নয়ন করেছেন তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারো আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহবান জানান এবং ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ুন। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনাব মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম বলেন, “বিএনপি-জামাত ও তাদের দোসররা এদেশকে আফগানিস্তান-পাকিস্তান বানাতে চায়। ধ্বংসাত্বক কর্মকান্ড ছেড়ে নির্বাচনের মাঠে আসুন। জনগনের কাছে গিয়ে ভোট চেয়ে দেখুন তারা কি বলে ?” 

যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বিরোধী দলের নতুন ধারার রাজনীতি প্রসঙ্গে বলেন- হরতাল, নৈরাজ্য, গাড়ী ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, জনগণকে সাস্পেনশনে রাখার প্রতিযোগীতা, মিডিয়ায় আঘাত, লাশের গাড়ী ভাংচুর, বিচারপতিদের বাসায় বোমা হামলা, জাতীয় নেতৃবৃন্দের বাসায় হামলা এই হল তার নতুন ধারার রাজনীতি। তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালা বদল নয়। এ নির্বাচন দেশের অগ্রযাত্রার নির্বাচন, তরুন-যুব সমাজের উপযোগী বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। এজন্য বার বার দরকার শেখ হাসিনার সরকার।”

বিশেষ অতিথি  ব্যারিস্টার ফজলে নুর তাপস এমপি  বলেন বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে বলেন আলোচনার পথ খোলা। বিএনপি নেত্রী আপনাকেই আলোচনার দিন-তারিখ ঠিক করতে হবে। হরতাল দিয়ে মানুষ মারবেন না। যুদ্ধপরাধীদের পক্ষ নিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করবেন না।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন যুবলীগ সাধারন সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ, ঢাকা মহানগর যুবলীগ-উত্তর সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের সাধারন সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের হরতাল বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের উদ্যোগে নিউমার্কেট ব্রিজ চত্বরে হরতালের নামে বিএনপি-জামাত জোটের নৈরাজ্য, বোমাবাজী, অগ্নিসংযোগ সহ সন্ত্রাসী রাজনীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়মী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ নাসিম ।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী, প্রধান বক্তা বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ। সভা পরিচালনা করেন- ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব মোঃ নাসিম বলেন, “ দেশের মানুষ এখন আর হরতাল চায় না। হরতাল মানে মানুষ খুন, গাড়ী পোড়ানো, বোমাবাজী, স্কুল-কলেজ বন্ধ। গত কদিনের হরতালে সারা দেশে অন্তত: ২০ জন সাধারন মানুষ নিহত হয়েছে। এতগুলো মানুষ মারা গেল, দেশের অর্থনীতির ক্ষতি হলো তাতে খালেদা জিয়ার কি লাভ হলো? মানুষ হরতাল চায় না। এজন্য সাধারন মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে আর আপনি বিএনপি নেত্রী জামাতকে সঙ্গে নিয়ে হরতালের নামে মানুষ খুন করছেন। এত নৈরাজ্য সৃষ্টি করে আগামী সংসদ নির্বাচন থামাতে পারবেন না। নির্বাচন শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই হবে। বরং আপনারা ভালো প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনের মাঠে আসুন। জনগন প্রত্যাখান করার আগেই শান্তির পথে আসুন। তিনি আরও বলেন গত ৫ বছরে শেখ হাসিনা দেশের যে উন্নয়ন করেছেন তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারো আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহবান জানান এবং ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ুন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনাব মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম বলেন, “বিএনপি-জামাত ও তাদের দোসররা এদেশকে আফগানিস্তান-পাকিস্তান বানাতে চায়। ধ্বংসাত্বক কর্মকান্ড ছেড়ে নির্বাচনের মাঠে আসুন। জনগনের কাছে গিয়ে ভোট চেয়ে দেখুন তারা কি বলে ?” যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বিরোধী দলের নতুন ধারার রাজনীতি প্রসঙ্গে বলেন- হরতাল, নৈরাজ্য, গাড়ী ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, জনগণকে সাস্পেনশনে রাখার প্রতিযোগীতা, মিডিয়ায় আঘাত, লাশের গাড়ী ভাংচুর, বিচারপতিদের বাসায় বোমা হামলা, জাতীয় নেতৃবৃন্দের বাসায় হামলা এই হল তার নতুন ধারার রাজনীতি। তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালা বদল নয়। এ নির্বাচন দেশের অগ্রযাত্রার নির্বাচন, তরুন-যুব সমাজের উপযোগী বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। এজন্য বার বার দরকার শেখ হাসিনার সরকার।” বিশেষ অতিথি ব্যারিস্টার ফজলে নুর তাপস এমপি বলেন বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে বলেন আলোচনার পথ খোলা। বিএনপি নেত্রী আপনাকেই আলোচনার দিন-তারিখ ঠিক করতে হবে। হরতাল দিয়ে মানুষ মারবেন না। যুদ্ধপরাধীদের পক্ষ নিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করবেন না। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন যুবলীগ সাধারন সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ, ঢাকা মহানগর যুবলীগ-উত্তর সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের সাধারন সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

বিডি আর বিদ্রহ মামলার রায়।


রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৩

৩ নভেম্বর রাত ৪.৩০ মিনিটে কারাগারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে।


৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর উল্লসিত পাকিস্তান ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। গোলাম আযম মুসলিম দেশগুলোর কাছে চিঠি পাঠায় বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য। ভুট্টো মোশতাক সরকারের জন্য চাল ও সাহায্য পাঠায়। সেনাপ্রধান জিয়া ও খুনিচক্রের নির্দেশে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছিল মোশতাক। যেন সবকিছুই চলছিল পাকিস্তানের নির্দেশে!

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর প্রয়োজন ছিল নেতৃত্ব শূন্য করা। দুর্নীতির অভিযোগ এনে চার নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। তাজউদ্দিন আহমেদকে ২২ আগস্ট এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে ২৩ আগস্ট গ্রেফতার করে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। চার নেতা ছাড়াও আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদসহ ২০ নেতাও গ্রেফতার হয়। সকলের উপর চলে অমানুষিক নির্যাতন।

৩ নভেম্বর রাত ৪.৩০ মিনিটে কারাগারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে।

জেনারেল জিয়া ১৯৭৬ সালের ৮ জুন বঙ্গবন্ধুর খুনি ও জেল হত্যাকারী ১২ জনকে রক্ত মাখা হাত নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে কূটনৈতিক মিশনের নিয়োগ দেন।

(Abdullah Harun Jewel)৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর উল্লসিত পাকিস্তান ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। গোলাম আযম মুসলিম দেশগুলোর কাছে চিঠি পাঠায় বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য। ভুট্টো মোশতাক সরকারের জন্য চাল ও সাহায্য পাঠায়। সেনাপ্রধান জিয়া ও খুনিচক্রের নির্দেশে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছিল মোশতাক। যেন সবকিছুই চলছিল পাকিস্তানের নির্দেশে!

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর প্রয়োজন ছিল নেতৃত্ব শূন্য করা। দুর্নীতির অভিযোগ এনে চার নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। তাজউদ্দিন আহমেদকে ২২ আগস্ট এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে ২৩ আগস্ট গ্রেফতার করে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। চার নেতা ছাড়াও আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদসহ ২০ নেতাও গ্রেফতার হয়। সকলের উপর চলে অমানুষিক নির্যাতন।

৩ নভেম্বর রাত ৪.৩০ মিনিটে কারাগারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে।

জেনারেল জিয়া ১৯৭৬ সালের ৮ জুন বঙ্গবন্ধুর খুনি ও জেল হত্যাকারী ১২ জনকে রক্ত মাখা হাত নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে কূটনৈতিক মিশনের নিয়োগ দেন।

শনিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৩

আজ ৩রা নভেম্বর জেলা হত্যা দিবস।


আজ ৩রা নভেম্বর। জেলা হত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালে এই দিনে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় যে ৪ নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় তার মধ্যে একজন সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের কৃতি সন্তান ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। ঘাকতদের বুলেটের আঘাতে এই মহান নেতার মৃত্যু হলেও সবার মাঝে আজও তিনি বেঁচে আছেন তার বনার্ঢ্য কর্মময় জীবনের কারনে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নেতা ক্যাপ্টেন এম.মনসুর আলী ১৬ জানুয়ারী সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল কুড়িপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন । সিরাজগঞ্জ বি.এল স্কুল থেকে এস.এস.সি, পাবনা এ্যাডওয়ার্ড কলেজ থেকে এইচ.এস.সি, কলকাতা ইসলামীয়া কলেজ থেকে বি.এ এবং আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম.এ ও ল’ পাশ করেন।

১৯৪৬ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত পাবনা জেলা মুসলিম লীগের সহ-সভাপতি ও একই সঙ্গে লীগের গার্ড বাহিনীর পাবনা জেলা শাখার ক্যাপ্টেন এর দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় থেকেই তিনি ক্যাপ্টেন মুনসুর আলী নামে পরিচিত। পরবর্তীতে ১৯৫১-তে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলনে বৃহত্তর পাবনা জেলার নেতৃত্ব প্রদান করায় কারানির্যাতন ভোগ করেন। তার বনার্ঢ্য রাজনৈতিক জীবনে ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং ১৯৭১ সালে মুজিবনগরে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রীসহ একাধিক মন্ত্রালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। আর এই দায়িত্ব পালন কালে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার মানুষদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখেন। তবে এই মহান নেতার জন্মস্থান কুড়ি পাড়াতে হয়নি কোন অবকাঠামোগত উন্নায়ন। এই নেতার বাড়ির সামনে গেলে বুঝার উপায় নেই যে এটা বাংলার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এম মনসুর আলীর বাড়ী। বিগত তিন প্রজন্ম ধরে কাজিপুরের সংসদীয় আসনে রাজকরে যাচ্ছে মনসুর আলীর পরিবার অথচ এই নেতার গ্রামের বাড়িতে উন্নায়ন বা স্মৃতি ধওে রাখার উদ্যেগ নেয়নি তার পরিবার। ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর পরে এ্ই আসনে সাংসদ নির্বাচন হয় তার সন্তান মোহাম্মদ নাসিম এবং তার পরে মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে এবং মনসুর আলীর নাতি প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয়। মনসুর আলীর জন্ম ভুমিতে মহান এই নেতার স্মৃতি আগামী প্রজম্নের কাছে তুলে ধরতে তার জন্মভুমিতে একটি জাদুঘর, স্মৃতি পাঠাগারসহ স্মৃতি চিহ্ন তৈরী করার পাশাপশি সরকারের কাছে দ্রুত এই বর্বরোচিত হত্যা কান্ডের বিচারের রায় কার্যকর করার দাবি এলাকাবাসীর এবং তরুন প্রজন্মের।

এই হত্যা কান্ডের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যেমে বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় ৪ নেতার স্বপ্ন সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানালেন সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও শহীদ এম. মনসুর আলীর নাতী, প্রকৌশলী তানভির শাকিল জয়। তবে যৌথপরিবারের কারনে কুড়িপাড়াতে কোন কিছু করা সম্ভব হচ্ছেনা বলে তিনি জানান। ধানমন্ডিতে এম মুনসুর আলীর করা বাড়িতে স্মৃতি ধরে রাখার জন্য কিছু করার পরিকল্পনা গ্রহন করার আশ্বাষ দেন তরুন এই সাংসদ।

জাতীয় এই চার নেতার হত্যাকারীদের বিচারের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি দেশের জন্য আতœত্যাগকারী মহান এই নেতার স্মুতি বিজরিত বাড়ীটি সংরক্ষনের পাশাপাশি আগামী প্রজন্মের জন্য জাদুঘর ও পাঠাগার নির্মানসহ নানা স্মৃতি চিহ্ন গড়ে তুলতে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এমনটাই দাবী এলাকাবাসীর।
১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অন্ধকারতম দিন। এই দিন ঘাতকরা জাতীয় চার নেতাকে অন্ধকার কারাপ্রকোষ্ঠে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। স্বাধীনতার ৪ বছর পর বাঙালি জাতি হারিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এএইচএম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ওই ঘটনা জাতির জন্য দ্বিতীয় ট্র্যাজেডি যা পুরো জাতিকে বাকরুদ্ধ করেছিল। ১৫ই আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডের তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সেলের অভ্যন্তরে জাতীয় এ চার নেতাকে হত্যা করা হয়। জাতি এখনও বেদনাথ হৃদয়ে স্মরণ করে দিনটাকে। আজ সেই দিন- জেলহত্যা দিবস। জাতি আজ শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় স্মরণ করবে জাতীয় এই চার নেতাকে। সেদিন স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট খোন্দকার মোস্‌তাক আহমাদের প্ররোচনায় এক শ্রেণীর উচ্চাভিলাষী মধ্যম সারির জুনিয়র সেনা কর্মকর্তা এ নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটায়। দেশের এই চার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে ১৫ই আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পর কারাগারে পাঠিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা প্রথমে গুলি এবং পরে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। জাতীয় এ চার নেতা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার হাতে আটক বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন। বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার পর পরই পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালো রাতে বঙ্গবন্ধুকে ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধকালে সৈয়দ নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বঙ্গবন্ধুর অপর ঘনিষ্ঠ সহযোগী এএইচএম কামরুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলী আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন এবং অন্যান্য সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠন যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
আওয়ামী লীগের কর্মসূচি: জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে আছে সকাল সাড়ে ৬টায় বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সহ দেশের সব শাখা কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলন এবং কালোব্যাজ ধারণ। সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে জমায়েত এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ।
সকাল সাড়ে ৭টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ই আগস্টের শহীদ ও জাতীয় নেতাদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত। রাজশাহীতে জাতীয় নেতা শহীদ কামরুজ্জামানের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত। বিকাল দুইটায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে জনসভা। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এমপি। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ৩রা নভেম্বর জেলহত্যা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে সর্বস্তরের দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে পালনের জন্য আওয়ামী লীগের সকল শাখা এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
আগামী নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন, অবাধ নিরপেক্ষ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, আগামী নির্বাচনে আমি আপনাদের কাছে আবারো নৌকা মার্কায় ভোট চাই।
উনাকে অনুরোধ করবো ৪ নভেম্বর ছেলে মেয়েদের পরীক্ষার কথা চিন্তা করে উনি হরতাল দিবেন না পরীক্ষার সময় হরতাল দিবেন না।

আগামীকাল ৩ নভেম্বর শোকাবহ জেলহত্যা দিবস।


মানব সভ্যতার ইতিহাসে বেদনাময় এক কলঙ্কিত দিন। বাঙালি জাতিকে নেতৃত্ব শূণ্য করতে আজ থেকে ৩৭ বছর আগে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নিভৃত প্রকোষ্ঠে বন্দি মহান মুক্তিযুদ্ধের চার সিপাহসালার ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চারনেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী এবং আবু হেনা মোহাম্মদ কামরুজ্জামানকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের শত্র“রা সেদিন দেশ মাতৃকার সেরা সন্তান এই জাতীয় চারনেতাকে শুধু গুলি চালিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, কাপুরুষের মতো গুলিবিদ্ধ দেহকে বেয়নেট দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে ক্ষত-বিক্ষত করে ’৭১-র পরাজয়ের জ্বালা মিটিয়েছিল। কারাগারের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা অবস্থায় এ ধরণের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। এই নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় শুধু বাংলাদেশের মানুষই নয়, স্তম্ভিত হয়েছিল বিশ্ব।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চারনেতাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যার মাধ্যমে স্বাধীনতার পরাজিত প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মহতী অর্জন স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, প্রগতি, মানবাধিকার, সংস্কৃতি, উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে নস্যাৎ করতে চেয়েছিল; কিন্তু ষড়যন্ত্রকারী অন্ধকারের শক্তি সফলকাম হতে পারেনি।
বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতার হত্যাকাণ্ড ছিল একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। বিশ্বাসঘাতক খুনিদের পরিকল্পনা, উদ্দেশ্য আজ জাতির সামনে পরিস্কার। মিথ্যা কুয়াশার ধুম্রজাল ছিন্ন করে আজ নতুন সূর্যের আলোর মতো প্রকাশিত হয়েছে সত্য; মূলতঃ হত্যাকারীরা এবং তাদের সহযোগিরা চেয়েছিল পাকিস্তান ভাঙার প্রতিশোধ নিতে, রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ ও অপরিসীম ত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জনকারী দেশটিকে হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির আবর্তে নিক্ষেপ করতে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল পুনর্গঠন ও গণতান্ত্রিকতার পথ থেকে সদ্য স্বাধীন সার্বভৌম দেশটিকে বিচ্যুত করা।
এখানেই শেষ হয়নি স্বাধীনতার শত্র“দের ষড়যন্ত্র; ’৭৫-র পর থেকে বছরের পর বছর বঙ্গবন্ধুর নাম-নিশানা মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে। বঙ্গবন্ধু ও জেল হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কুশিলব হিসেবে সামরিক স্বৈরশাসক জেনারেল জিয়াউর রহমানের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ জড়িত থাকার প্রমাণ বেরিয়ে আসছে সময়ের ব্যবধানে। ইতিহাসের পথকে যারা দুর্গম ও দুর্লঙ্ঘ্য করে দিতে চেয়েছিল সংগ্রামী বাঙালি জাতি তা ব্যর্থ করে দিয়েছে।
বাংলাদেশের জনগণ দীর্ঘকাল এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি জানিয়ে আসছিল; দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য এই যে, ২০০৮ সালের আগস্ট মাসে উচ্চ আদালতের রায়ে আত্মস্বীকৃত খুনিদের প্রায় সবাই খালাস পাওয়ার পরও ন্যায় বিচারের দাবি থেকে তারা সরে আসেনি। উচ্চতর আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায় আপীলের অনুমতি পাওয়ার পর সর্বোচ্চ আদালতে শুনানী শেষে চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল চূড়ান্ত রায় ঘোষিত হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বঙ্গবন্ধুরই হাতেগড়া সংগঠন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের কয়েকেজনের ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে। এখন দেশবাসী আশায় বুক বেধে আছে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার মতো জেল হত্যাকাণ্ডের খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর হবে; দেশ কলঙ্কমুক্ত হবে।
জাতীয় চারনেতা হত্যার রায় কার্যকর করা ছাড়া জাতি কলঙ্কমুক্ত হতে পারবে না। আর কলঙ্কমুক্ত হওয়া ছাড়া সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং উন্নতি-অগ্রগতি-সমৃদ্ধির ধারায় জাতির অগ্রসর হওয়া বাস্তবেই অসম্ভব। জাতীয় চারনেতা হচ্ছেন আমাদের জাতীয় বীর। জাতীয় বীরদের রক্তঋণ শোধ না করে জাতি তাঁর ইস্পিত লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে অগ্রসর হতে পারে না। তাই অবিলম্বে জেল হত্যাকাণ্ডের দায়ে দণ্ডিত পলাতক আসামিদের খুঁজে বের করে রায় কার্যকর করা হবে এটাই জনগণ একান্তভাবে কামনা করে।
ঔপনিবেশিক পাকিস্তানি পরাধীন শাসনামলের অন্ধকার দিনগুলোতে গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে, মুক্তিযুদ্ধে, স্বাধীন দেশ পুনর্গঠন ও পুনর্নিমাণে এবং আওয়ামী লীগকে জনগণের প্রাণপ্রিয় দলে পরিণত করার কর্মকাণ্ডে বঙ্গবন্ধুর এবং চার জাতীয় নেতার অবদান অবিস্মরণীয়। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী, সমর্থক-শুভানুধ্যায়ীসহ জনগণ তাদের জীবন ও কর্মতৎরপরতার কথা কোনদিন ভুলবে না। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতার পবিত্র স্মৃতি এবং গৌরবদীপ্ত অর্জনের সাথে নতুন প্রজন্মকে পরিচিতি করানো হোক আজকের

বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৩

রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েন; থমথমে দেশ; জনমনে আতংক

রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েন; থমথমে দেশ; জনমনে আতংক
২৫ অক্টোবরকে ঘিরে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে থমথমে পরিস্থিতি রাজধানীসহ সারাদেশে। জনমনে দেখা দিয়েছে আতংক। যেকোন নাশকতা ঠেকাতে, সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে আইন-শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনী। এরিমধ্যে রাজধানী, চট্টগ্রাম, রাজধানী ও বগুড়ায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গেছে, ঢাকায় ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। চট্টগ্রামে চার প্লাটুন। রাজশাহী ও বগুড়ায় দুই প্লাটুন করে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বড় শহরগুলোতে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ কোরে চলছে তল্লাশি ও গ্রেফতার অভিযান। রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে রয়েছে বিশেষ নজরদারি। প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ের ভেতরেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি’র নয়াপল্টনের কার্যালয় ঘিরে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তায়।

বগুড়ায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। আওয়ামী লীগ ও ১৮ দলীয় জোট একই জায়গায় সমাবেশ ডাকায় সহিংসতা এড়াতে আজ সন্ধ্যা ছ’টা থেকে শনিবার সকাল ছ’টা পর্যন্ত পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। এতে গোটা শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
-২৫ অক্টোবরকে ঘিরে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে থমথমে পরিস্থিতি রাজধানীসহ সারাদেশে। জনমনে দেখা দিয়েছে আতংক। যেকোন নাশকতা ঠেকাতে, সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে আইন-শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনী। এরিমধ্যে রাজধানী, চট্টগ্রাম, রাজধানী ও বগুড়ায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গেছে, ঢাকায় ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। চট্টগ্রামে চার প্লাটুন। রাজশাহী ও বগুড়ায় দুই প্লাটুন করে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বড় শহরগুলোতে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ কোরে চলছে তল্লাশি ও গ্রেফতার অভিযান। রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে রয়েছে বিশেষ নজরদারি। প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ের ভেতরেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি’র নয়াপল্টনের কার্যালয় ঘিরে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তায়।

বগুড়ায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। আওয়ামী লীগ ও ১৮ দলীয় জোট একই জায়গায় সমাবেশ ডাকায় সহিংসতা এড়াতে আজ সন্ধ্যা ছ’টা থেকে শনিবার সকাল ছ’টা পর্যন্ত পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। এতে গোটা শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

একনজরে জিয়াউর রহমান এর কু-কীর্তি সমুহঃ সংক্ষিপ্ত আকারে

>১৯৭৫-এর ২৪শে অক্টোবরে সেনাপ্রধানকে পদচ্যুত করে উপসেনাপ্রধান থেকে সেনাপ্রধান।

>বঙ্গবন্ধু হত্যার মাত্র ৪ মাস পর ৭৫’এর ৩১শে ডিসেম্বর, ৭২’এর ঘাতক দালাল আইন বাতিল করে ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি, যাদের মধ্যে ৭৫২জন দন্ডপ্রাপ্ত।

>জেল ও বঙ্গবন্ধু হত্যার সব তদন্ত বন্ধ করে দেয়া

>১৯৭৬-এর ২৯শে নভেম্বরে প্রধান সামরিক শাসক সায়েমের বিরুদ্ধে ক্যু করে নিজে প্রধান সামরিক প্রশাসক

>১৯৭৭এর ২১ শে এপ্রিলে আবার সায়েমকে সম্পূর্ণ কিকআউট করে রাষ্ট্রপ্রধান

>১৯৭৭ এ অবৈধ ঘোষিত ধর্মভিত্তিক রাজনীতির অনুমতি।

>১৯৭৭-এর ২২ এপ্রিলে ১৯৭২ এর শাসনতন্ত্রের ৩৮ অনুচ্ছেদের মূলপরিবর্তন এনে সংবিধানে সন্ত্রাস

>১৯৭৭-এর ৭ই মে তে খুনিদের ক'জনকে পদোন্নতি এবং পুনর্বহাল

>১৯৭৭-এর ‘হ্যাঁ-না’ ভোট

>১৯৭৮-এর ৫ই এপ্রিলে নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করে ১৯৭১-এর ঘাতক দালালদের নাগরিকত্ব দানের জন্য মন্ত্রনালয়কে আদেশ

>১৯৭৯-এর ৫ই এপ্রিল ৫ম সংশোধনীকে আইনে প্রণীত করে জেল ওবঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের দ্বাররুদ্ধ করতে বিষাক্ত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইন

>নতুন নাগরিকত্ব আইনের আওতায় পাকিস্তানের পাসপোর্ট হাতে রাজাকার গোলাম কে দেশে প্রবেশের অনুমতি

>আব্বাসকে ৭৯তে জামাতের আমীর হতে দিয়ে ,দেশে মৌলবাদ এবং জামাতের স্বাধীনতা বিরোধী সকল কার্যকলাপকে সাংবিধানীক বৈধতা,

>১৯৭২এরসংবিধানকে কেটে ছিরে নিজের ইচ্ছে মত সব কিছুকে জায়েজকরার নগ্ন প্রচেষ্টা।

এই সেই বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা। প্রতিষ্ঠাতার অবস্থা যদি এমন হয়-সেখান থেকে ভালো কিই বা আশা করা যায় !!!